কে এই ড. জাকির নায়েক?
কে এই ড. জাকির নায়েক?
গত কয়েকদিন থেকে ভারত তথা সারা বিশ্বজুড়েই ডাঃ জাকির নায়েককে নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। কিন্তু কে এই জাকির নায়েক?
এখানে অতি সংক্ষেপে তাঁর পরিচয়, কাজকর্ম, সম্মাননা, পুরস্কার তুলে ধরা হলো।
জাকির আব্দুল করিম নায়েক (Zakir Naik)-এর জন্ম ১৮ অক্টোবর ১৯৬৫। তিনি হলেন
একজন ভারতীয় ইসলামী চিন্তাবিদ, বক্তা ও লেখক যিনি ইসলাম ও তুলনামূলক
ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে কাজ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন ডাক্তার; মহারাষ্ট্র
থেকে শল্যচিকিৎসায় ডিগ্রি অর্জন করলেও ১৯৯১ সাল থেকে তিনি ইসলাম ধর্ম
প্রচারে মনোনিবেশ করেছেন। বিভিন্ন ধর্মের উপর তাঁর অগাধ জ্ঞান এবং তিনি
তাঁর লেকচারে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে কোনকিছু ব্যাখ্যা
করেন। তাঁর সেমিনারে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ সব ধর্মের মানুষ
উপস্থিত থাকে। তার প্রতিটি সেমিনারেই বিখ্যাত ও সম্মানীয় ব্যক্তি উপস্থিত।
দেশের মাটিতে হলে MP, MLA, IAS, IPS, Judge, Lawyer, Player, Actor প্রমুখ
উপস্থিত থাকেন। এছাড়া সাধারণের মধ্যে যারা উপস্থিত থাকে তারা প্রায় সবাই
উচ্চশিক্ষিত, উচ্চপদাধিকারী ও প্রতিষ্ঠিত। বিদেশে হলে President, Prime
Minister-রাও উপস্থিত থাকেন।
তার মূল উদ্দেশ্য হল শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেওয়া। তাই তাঁর প্রতিষ্ঠিত টিভি চ্যানেলের নামই হল Peace TV. তাঁর প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় গবেষণা কেন্দ্রের নাম Islamic Research Foundation. ২০০৭ সাল থেকে তিনি মুম্বাইয়ে শান্তি সম্মেলন (Peace Conference) করে আসছেন। এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ধর্মের বিখ্যাতরা আসেন।
বিশ্বজুড়ে তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের Facebook ফ্যান যেখানে ১১ লাখ, সেখানে জাকির নায়েকের Facebook ফ্যান প্রায় দেড় কোটি! এছাড়া জাকির নায়েকের ফ্যানদের দ্বারা পরিচালিত ফেসবুক পেজই আছে কয়েক হাজার এবং সেই পেজগুলিরও লক্ষ লক্ষ ফ্যান। Peace TV -এর দর্শক প্রায় ২০ কোটি! এছাড়া জাকির নায়েকের অফিসিয়াল Youtube চ্যানেলে লক্ষ লক্ষ মানুষ তাঁর ভিডিও দেখেন। Indian Express এর ‘‘সবচাইতে শক্তিশালী ১০০ ভারতীয় ২০১০’’ তালিকায় ডাঃ জাকিরের অবস্থান ৮৯তম। ২০০৯ সালে তার অবস্থান ছিলো ৮২তম।
জাকির নায়েককে ২০০৯,২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের ৫০০ সবচাইতে প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়াও ১৭তম "দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন পুরস্কার" জাকির নায়েককে "বছরের ইসলামী ব্যক্তিত্ব" হিসেবে নামকরণ করে।
তার মূল উদ্দেশ্য হল শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেওয়া। তাই তাঁর প্রতিষ্ঠিত টিভি চ্যানেলের নামই হল Peace TV. তাঁর প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় গবেষণা কেন্দ্রের নাম Islamic Research Foundation. ২০০৭ সাল থেকে তিনি মুম্বাইয়ে শান্তি সম্মেলন (Peace Conference) করে আসছেন। এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ধর্মের বিখ্যাতরা আসেন।
বিশ্বজুড়ে তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের Facebook ফ্যান যেখানে ১১ লাখ, সেখানে জাকির নায়েকের Facebook ফ্যান প্রায় দেড় কোটি! এছাড়া জাকির নায়েকের ফ্যানদের দ্বারা পরিচালিত ফেসবুক পেজই আছে কয়েক হাজার এবং সেই পেজগুলিরও লক্ষ লক্ষ ফ্যান। Peace TV -এর দর্শক প্রায় ২০ কোটি! এছাড়া জাকির নায়েকের অফিসিয়াল Youtube চ্যানেলে লক্ষ লক্ষ মানুষ তাঁর ভিডিও দেখেন। Indian Express এর ‘‘সবচাইতে শক্তিশালী ১০০ ভারতীয় ২০১০’’ তালিকায় ডাঃ জাকিরের অবস্থান ৮৯তম। ২০০৯ সালে তার অবস্থান ছিলো ৮২তম।
জাকির নায়েককে ২০০৯,২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের ৫০০ সবচাইতে প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়াও ১৭তম "দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন পুরস্কার" জাকির নায়েককে "বছরের ইসলামী ব্যক্তিত্ব" হিসেবে নামকরণ করে।
খ্রিস্টান পাদ্রী উইলিয়াম ক্যাম্পবেল ও হিন্দু ধর্মীয় নেতা শ্রী শ্রী
রবিশঙ্কর-এর সাথে তাঁর বিখ্যাত দুটি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু ধর্মীয়
নেতা শঙ্করাচার্য্য জাকির নায়েকের সম্মেলনে উপস্থিত হন এবং ইসলামের ব্যাপক
প্রশংসা করেন (ভিডিও দেখুন http://tinyurl.com/zbhnqmu)।
জাকির নায়েকের লেকচার শুনে হাজার হাজার শিক্ষিত মানুষ ধর্ম সম্পর্কে সঠিক
তথ্য ও ধারণা পাচ্ছে। হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে জানতে পারছে। বেদ-পুরাণে
আল্লাহ্ ও মুহম্মদ নাম দুটি আছে তা জানতে পারছে। হিন্দুরা নিজেদের ধর্ম
সম্পর্কে জানতে পারছে আর প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ স্বেচ্ছায় ইসলামে
অনুপ্রাণিত হচ্ছে। অন্ধকারে থাকা মানুষ তাঁর লেকচার শুনে আলোর দিশা পাচ্ছে।
গোঁড়ামির বেড়াজালে আবদ্ধ থাকা মানুষ আসল সত্য জেনে একমাত্র স্রষ্টাকে
জানতে পারছে এবং সেই একমাত্র স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করছে। আজ তাঁকে নিয়ে
এত সমালোচনার কারণ তিনি একজন মুসলিম, তিনি মানুষকে সঠিক পথ দেখাচ্ছেন।
তাঁর দোষ একটাই, তিনি মানুষকে ধর্মীয় গোঁড়ামি ছেড়ে আসল সত্যের পথে, ন্যায়ের
পথে, আলোর পথে ডাকছেন এবং তাঁর আহ্বানে মানুষ সাড়া দিচ্ছেন। আর এর ফলে
ধর্মব্যবসায়ী ও সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদদের গা জ্বলে যাচ্ছে। যেহেতু তাঁর
বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই, তাই এই সুবিধাবাদীরা মিডিয়ার মাধ্যমে মিথ্যা
প্রচার করছে যে, কোন জঙ্গী নাকি ফেসবুকে জাকির নায়েকের লেকচার থেকে কিছু
একটা উদ্ধৃতি দিয়েছে। আর তাই জাকির নায়েককে নিষিদ্ধ করতে হবে। যদিও এর
সপক্ষে কোন মিডিয়া কোন প্রমাণ দিতে পারেনি। কিছু পিরপূজারী, মাযার পূজারী,
মুসলিম নামধারী ধর্মব্যবসায়ীও এদের সাথে যুক্ত আছে। মিডিয়া (প্রধানত টাইমস
নাও ও এবিপি নিউজ) আরো প্রচার করছে তিনি নাকি যুবকদেরকে সন্ত্রাসে
অনুপ্রাণিত করছেন। বিশ্বজুড়ে তাঁর কোটি কোটি ফলোয়ার। যদি তিনি সত্যিই
মানুষকে সন্ত্রাসে অনুপ্রাণিত করতেন, তাহলে এতদিনে কোটি কোটি সন্ত্রাসবাদী
তৈরি হত ও পৃথিবীটা মানবশূণ্য হয়ে যেত। যোগী আদিত্যনাথ, সাধ্বী প্রাচী,
বাবা রামদেব যখন মুসলিমদের হত্যা করার হুমকি দেন, মুসলিম মহিলাদেরকে কবর
থেকে তুলে এনে ধর্ষণ করতে বলেন, কথায় কথায় পাকিস্তানে যেতে বলেন, তখন
মিডিয়া চুপ। উল্লেখ্য, জাকির নায়েকের সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে যে লেকচার নিয়ে
মিডিয়া বিতর্ক করছে, সেটি প্রায় ১০-১৫ বছর আগের। এতদিন এই লেকচার নিয়ে কোন
বিতর্ক হল না, অথচ আজ হচ্ছে। এটা আশ্চর্যের বিষয় যে, যে মানুষটা সারাজীবন
শান্তির প্রচার করে আসলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কথা বললেন, তাঁকেই বলা
হচ্ছে সন্ত্রাসের উৎসাহদাতা। আবার একদিক থেকে এটা অবাক করার মত ব্যাপার না,
কারণ চিরকালই শান্তির প্রচারকদের উপর মিথ্যারোপ করা হয়েছে (যেমন-হজরত
মুহম্মদ সাঃ, যীশুখ্রীষ্ট, মহাত্মা গান্ধী, নেলসন ম্যান্ডেলা, ম্যালকম এক্স
প্রমুখ)। কিন্তু শেষে মিথ্যাবাদীরাই পরাজিত হয়েছে।
এটা ঠিক যে তিনি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং এখনো করে চলেছেন, তবে
সন্ত্রাসের দিকে নয়, বরং সত্যের দিকে, আলোর দিকে, ন্যায়ের দিকে, শান্তির
দিকে। সত্যিটা জানতে, নিজেকে চিনতে, স্রষ্টাকে জানতে, সুবিধাবাদী ও
মিথ্যাবাদীদের চিনতে হলে তাঁর লেকচার অবশ্যই শুনতে হবে।
♣জাকির নায়েকের বিখ্যাত লেকচারসমূহঃ
♦ ইসলাম বিষয়ে অমুসলিমদের কিছু সাধারণ প্রশ্নের জবাব।
♦ কোর'আন ও আধুনিক বিজ্ঞান।
♦ কোর'আন কি ঈশ্বরের বাণী?
♦ আমিষ খাদ্য কি মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর?
♦ বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ।
♦ প্রধান প্রধান ধর্মে ঈশ্বরের অস্তিত্ব।
♦ বিজ্ঞানের আলোকে কোর'আন ও বাইবেল।
♦ হিন্দু ও ইসলাম ধর্মের অন্তরনিহিত সাদৃশ্য।
♦ সন্ত্রাসবাদ ও জিহাদ।
♦ইসলামের কেন্দ্রবিন্দু।
♦ সন্ত্রাসবাদ কি কেবল মুসলিমদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
♦ প্রশ্নোত্তোরে ইসলামে নারীর অধিকার।
♦ কেন ইসলাম গ্রহণ করছে পশ্চিমারা?
♦ ইসলামে নারীর অধিকার আধুনিক নাকি সেকেলে?
♦ সুদমুক্ত অর্থনীতি।
♦ ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের সাদৃশ্য।
♦বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ সমুহের আলোকে হিন্দুধর্ম ও ইসলাম।
♦ আলকোর'আন বুঝে পড়া উচিত।
♦ রসুলুল্লাহর নামায(সালাত)।
♦চাঁদ ও কুর'আন।
♦ মিডিয়া ও ইসলাম।
♦ সুন্নত ও বিজ্ঞান।
♦ পোশাকের নিয়মাবলী
♦ মুসলিম উম্মাহর ঐক্য
♥নিচের লিঙ্ক থেকে জাকির নায়েকের লেকচারের বাংলা ডাবিং (mp3) ডাউনলোড করতে পারবেন-
http://tinyurl.com/j4jcx2r
http://tinyurl.com/j4jcx2r
Islamic Research Foundation-এর Website www.irf.net
Facebook Page
www.facebook.com/irfonline
Facebook Page
www.facebook.com/irfonline
Zakir Naik-এর
Twitter Account www.twitter.com/zakirnaikirf
Twitter Account www.twitter.com/zakirnaikirf
Youtube Channel www.youtube.com/user/drzakirchannel
Facebook Page www.facebook.com/zakirnaik
Facebook Page www.facebook.com/zakirnaik
♣পুরষ্কার বা সম্মাননার সাল-পুরষ্কার বা সম্মাননার নাম-পুরষ্কার প্রদানকারী সংস্থা বা সরকার
২০১৩ইসলামিক পারসোনালিটি অব ২০১৩-শাইখ মোহাম্মাদ রাশিদ আল মাখতুম এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড পিস
২০১৩ডিস্টিংগুইশড ইন্টারন্যাশনাল পারসোনালিটি এওয়ার্ড-আজম, টুয়ানকু আব্দুল হালিম মুয়াদজাম শাহ, মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান
২০১৩শারজাহ এওয়ার্ড ফর ভলান্টারি ওয়ার্ক-সুলতান বিন মোহাম্মেদ আল কাশিমি, শারজাহর শাসক
২০১৪ইন্সাইনিয়া অব দ্য কমান্ডার অব দ্য ন্যাশনাল অর্ডার অব দ্য রিপাবলিক অব দ্য গাম্বিয়া- গাম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া জাম্মেহ
২০১৪অনারারি ডক্টরেট (ডক্টর অব হিউম্যান লেটারস)- গাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
২০১৫বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার(সৌদি আরবের সর্ববিখ্যাত পুরস্কার)-সৌদি আরব সরকার
২০১৩ডিস্টিংগুইশড ইন্টারন্যাশনাল পারসোনালিটি এওয়ার্ড-আজম, টুয়ানকু আব্দুল হালিম মুয়াদজাম শাহ, মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান
২০১৩শারজাহ এওয়ার্ড ফর ভলান্টারি ওয়ার্ক-সুলতান বিন মোহাম্মেদ আল কাশিমি, শারজাহর শাসক
২০১৪ইন্সাইনিয়া অব দ্য কমান্ডার অব দ্য ন্যাশনাল অর্ডার অব দ্য রিপাবলিক অব দ্য গাম্বিয়া- গাম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া জাম্মেহ
২০১৪অনারারি ডক্টরেট (ডক্টর অব হিউম্যান লেটারস)- গাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
২০১৫বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার(সৌদি আরবের সর্ববিখ্যাত পুরস্কার)-সৌদি আরব সরকার
details-http://www.alimostafa.in

No comments