মানব ভ্রূণের আত্ম-চিৎকার
#
সেখানে ছিলাম আমি।
লাখ লাখ শুক্রানুর মধ্যে আমিও লুকিয়ে ছিলাম।
এক সাগরের মাঝে,
আমরা সবাই দৌড় প্রতিযোগীতায় মত্ত ছিলাম।
কে কাকে হারিয়ে দিয়ে প্রথম হবো।
যুদ্ধ না, মা যুদ্ধ না!
এ এক মরন খেলা!
যে জিতবে সেই শুধু বাঁচবে,
বাকিরা সব্বাইকে মরতে হবে!
জানো মা!
জীবনের সাথে যুদ্ধ করে,
সেদিন আমিই জয় লাভ করেছিলাম।
তুমি বিশ্বাস করো মা,
আমার মত খুশি সেদিন আর কেউ হতে পারেনি।
আমিই সেদিন ডিম্বানুকে ভেদ করে,
জয়ের পতাকা ছিনিয়ে এনেছিলাম।
সেখানেও কত ভয়।
যদি এ যুদ্ধে টিকে না থাকতে পারি?
মাগো,
আসতে আসতে আমি জল বিন্দু থেকে,
রক্তের কনিকায় রুপ নিতে থাকলাম।
সত্যি মা!
আমি কত খুশি ছিলাম,
তোমার সাবধানতা আর সতর্কতায়।
সময়ের গতিতে আমি পুর্নতা পেতে থাকলাম।
আসতে আসতে মাংসল পিন্ড থেকে,
আমার কচি হাত-পা,নখ গজাতে শুরু করলো।
মাঝে মাঝে আমার কচি নখের স্পর্শে,
তুমি শিউরে উঠতে।
আমার কি যে ভালো লাগতো মা।
আমি বলে বুঝাতে পারবো না।
মাগো!
এখনো আমার চোখ ফুটে নাই।
আমি নিজেকেই দেখি নাই।
মাগো মাগো!
আজ আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।
বাচাও মা,বাচাও।
কে শুনে আমার চিৎকার।
আমি যে আজ কারোর, আপন কেউ নয়।
আমি বুঝতে পারলাম,
আমি কারোর উষ্ণ প্রেমের লীলাখেলার আগাছা।
কেউ পাশ থেকে বলছে,
ছিড়ে ফেলুন ডাক্তার,
মেরে ফেলুন ওকে।
আমার বুঝতে বাকি রইলো না।
সে আমার অনাগত বাবা।
আমি চিৎকার করে বলতে চাচ্ছিলাম,
আমি কখনো তোমাদের কাউকে বাবা -মা
বলে পরিচয় দেবো না।
তবুও আমায় মেরো না।
আমাকে একটি বার পৃথিবী দেখতে দাও।
আমাকে মেরো না।
শেষবারের মত আমার মায়ের চোখে জল এসেছিলো।
বাবার দিকে তাকিয়ে আর একটিবার শেষ অনুরোধটা করেছিলো।
থাক না! আমরা বিয়ে করে নিলেই তো সব ঠিক হয়ে যাবে।
বেচে থাকুক আমাদের সোনামনি, বেচে থাকুক আমাদের অনাগত সন্তান।
বাবার এক পশুত্ত হুংকারে সব গুড়েবালি হয়ে গেলো।
ডাক্তারের কালো থাবাতে আমার শরীরকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হলো।
আমার শরীর থেকে প্রান বায়ু বের হয়ে যাচ্ছিলো।
আমি কষ্টে হাউমাউ করে কান্না করছিলাম।
ঘৃনা হচ্ছিলো,এই পৃথবীর মানুষের উপর।
ঘৃনা হচ্ছিলো, এই পশু সমতুল্য মা-বাবার উপর।
আমার আরো কষ্ট হচ্ছিলো,
আমার শেষ জায়গা হলো এক
পচা নর্দমা!
আমি এখন এক পচা নর্দমার কীট!
ভালো থেকো মা!
ভালো থেকো বাবা!...
😢
😢
😢
বন্ধুদের কাছে হাত দুটি জোড় করে বলছি যে এই রকম প্রেম ও এই রকম ভুল করো না।। তোমাদের আনন্দ ও খুশির জন্যে অন্য একটি প্রান শেষ করে দিও না প্লিজ প্লিজ।।
তোমার ক্ষমতা নেই একটি প্রান দেওয়ার তবে তুমি একটি প্রান শেষ করে দাও কোন অধিকারে বল?। copy post-from FACEBOOK
#
মানব ভ্রূণের আত্ম-চিৎকার
সেখানে ছিলাম আমি।
লাখ লাখ শুক্রানুর মধ্যে আমিও লুকিয়ে ছিলাম।
এক সাগরের মাঝে,
আমরা সবাই দৌড় প্রতিযোগীতায় মত্ত ছিলাম।
কে কাকে হারিয়ে দিয়ে প্রথম হবো।
যুদ্ধ না, মা যুদ্ধ না!
এ এক মরন খেলা!
যে জিতবে সেই শুধু বাঁচবে,
বাকিরা সব্বাইকে মরতে হবে!
জানো মা!
জীবনের সাথে যুদ্ধ করে,
সেদিন আমিই জয় লাভ করেছিলাম।
তুমি বিশ্বাস করো মা,
আমার মত খুশি সেদিন আর কেউ হতে পারেনি।
আমিই সেদিন ডিম্বানুকে ভেদ করে,
জয়ের পতাকা ছিনিয়ে এনেছিলাম।
সেখানেও কত ভয়।
যদি এ যুদ্ধে টিকে না থাকতে পারি?
মাগো,
আসতে আসতে আমি জল বিন্দু থেকে,
রক্তের কনিকায় রুপ নিতে থাকলাম।
সত্যি মা!
আমি কত খুশি ছিলাম,
তোমার সাবধানতা আর সতর্কতায়।
সময়ের গতিতে আমি পুর্নতা পেতে থাকলাম।
আসতে আসতে মাংসল পিন্ড থেকে,
আমার কচি হাত-পা,নখ গজাতে শুরু করলো।
মাঝে মাঝে আমার কচি নখের স্পর্শে,
তুমি শিউরে উঠতে।
আমার কি যে ভালো লাগতো মা।
আমি বলে বুঝাতে পারবো না।
মাগো!
এখনো আমার চোখ ফুটে নাই।
আমি নিজেকেই দেখি নাই।
মাগো মাগো!
আজ আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।
বাচাও মা,বাচাও।
কে শুনে আমার চিৎকার।
আমি যে আজ কারোর, আপন কেউ নয়।
আমি বুঝতে পারলাম,
আমি কারোর উষ্ণ প্রেমের লীলাখেলার আগাছা।
কেউ পাশ থেকে বলছে,
ছিড়ে ফেলুন ডাক্তার,
মেরে ফেলুন ওকে।
আমার বুঝতে বাকি রইলো না।
সে আমার অনাগত বাবা।
আমি চিৎকার করে বলতে চাচ্ছিলাম,
আমি কখনো তোমাদের কাউকে বাবা -মা
বলে পরিচয় দেবো না।
তবুও আমায় মেরো না।
আমাকে একটি বার পৃথিবী দেখতে দাও।
আমাকে মেরো না।
শেষবারের মত আমার মায়ের চোখে জল এসেছিলো।
বাবার দিকে তাকিয়ে আর একটিবার শেষ অনুরোধটা করেছিলো।
থাক না! আমরা বিয়ে করে নিলেই তো সব ঠিক হয়ে যাবে।
বেচে থাকুক আমাদের সোনামনি, বেচে থাকুক আমাদের অনাগত সন্তান।
বাবার এক পশুত্ত হুংকারে সব গুড়েবালি হয়ে গেলো।
ডাক্তারের কালো থাবাতে আমার শরীরকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হলো।
আমার শরীর থেকে প্রান বায়ু বের হয়ে যাচ্ছিলো।
আমি কষ্টে হাউমাউ করে কান্না করছিলাম।
ঘৃনা হচ্ছিলো,এই পৃথবীর মানুষের উপর।
ঘৃনা হচ্ছিলো, এই পশু সমতুল্য মা-বাবার উপর।
আমার আরো কষ্ট হচ্ছিলো,
আমার শেষ জায়গা হলো এক
পচা নর্দমা!
আমি এখন এক পচা নর্দমার কীট!
ভালো থেকো মা!
ভালো থেকো বাবা!...
বন্ধুদের কাছে হাত দুটি জোড় করে বলছি যে এই রকম প্রেম ও এই রকম ভুল করো না।। তোমাদের আনন্দ ও খুশির জন্যে অন্য একটি প্রান শেষ করে দিও না প্লিজ প্লিজ।।
তোমার ক্ষমতা নেই একটি প্রান দেওয়ার তবে তুমি একটি প্রান শেষ করে দাও কোন অধিকারে বল?। copy post-from FACEBOOK
পোস্টটি সম্পর্কে কারো কোনো অভিযোগ থাকলে জানাবেন। ডিলিট করে দেওয়া হবে।

No comments