এই ভুলের জন্য নারীরা সন্তান ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে ...
#
সন্তান কে না চায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় প্রিয় মানুষটির সন্তান হচ্ছে না , তখনই দোষ গিয়ে পরে স্ত্রীর উপর। কিন্তু অনেক সময়ই স্ত্রীর জন্মগত ভাবে সন্তান ধারণে অক্ষমতার দোষ থাকে না , স্বামীর ভুলেই স্ত্রী সন্তান ধারণে অক্ষম হয়ে পরে।
১.বিয়ের প্রথম দিকে কন্ডোম কিংবা নিরোধক কেউই ব্যবহার করতে চায় না। মিলনের পর তারা ঔষধ ব্যবহার করে থাকে এবং সেটাও আবার ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত। ফল স্বরূপ স্ত্রীর সন্তান ধারণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
২.বিয়ের পরে পরে অসতর্ক বশত স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়লে অদক্ষ ডাক্তারের সাহায্যে গর্ভপাত ঘটানোর ফলে জরায়ু ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
৩.অনেক দিন ধরে সন্তান না নেওয়ার অভ্যাস থাকায় পরে আর চাইলেও সন্তান ধারণ করতে অক্ষম হয়ে পরে নারী।
[ বিঃ দ্রঃ -এগুলি কোনো ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লেখা হয়নি। এগুলি কয়েকটি নিঃসন্তান নারীর কাছে শোনা গল্পের কাহিনীর উপর ভিত্তি করে অনুমান সাপেক্ষে লেখা। ]
১.বিয়ের প্রথম দিকে কন্ডোম কিংবা নিরোধক কেউই ব্যবহার করতে চায় না। মিলনের পর তারা ঔষধ ব্যবহার করে থাকে এবং সেটাও আবার ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত। ফল স্বরূপ স্ত্রীর সন্তান ধারণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
২.বিয়ের পরে পরে অসতর্ক বশত স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়লে অদক্ষ ডাক্তারের সাহায্যে গর্ভপাত ঘটানোর ফলে জরায়ু ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
৩.অনেক দিন ধরে সন্তান না নেওয়ার অভ্যাস থাকায় পরে আর চাইলেও সন্তান ধারণ করতে অক্ষম হয়ে পরে নারী।
[ বিঃ দ্রঃ -এগুলি কোনো ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লেখা হয়নি। এগুলি কয়েকটি নিঃসন্তান নারীর কাছে শোনা গল্পের কাহিনীর উপর ভিত্তি করে অনুমান সাপেক্ষে লেখা। ]

No comments