Short Story
ঐ যে দূরে সিঁড়ির ওপরে একটা ঘর দেখা যায় ওটা কিসের ঘর জান ?
নিশি মাথা নেড়ে না সম্বোধন করল।
ওটা বন দপ্তরের কর্মীদের সুবিধার জন্য তৈরি করা হয়েছে।ওটাতে উঠে বনের চারদিকে নজরদারি করা যায়। ওখান থেকে বনটাকে খুব সুন্দর দেখায়। তুমি দেখবে ?
ইচ্ছে থাকলেও একটা ভয় সবসময় তারা করে নিশিকে। স্যারের মুখের দিকে একটু চেয়ে চোখ ফিরিয়ে নেয় এবং বিড়বিড় করে উত্তর দেয়, আমার ভয় করে।
দেখো, ভয়ের কি আছে । আমি তো সঙ্গে আছি।তোমাকে তো একা একা উঠতে হবে না।আর ছাত্র জীবন হল অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের কাল,এসময় ভয়-টয় পেলে চলে। চল চল, আমি তোমাকে আজ নতুন অনেক কিছুই দেখাব যা তোমার জিওগ্রাফির ক্ষেত্রে অনেক উপকরে আসবে বলে আমি মনে করি।
নিশি এবার আর মুখের উপর না করতে পারলো না।
দুজনে হেটে হেটে সেই ঘরের কাছে এলো।সত্যিই অনেক উঁচুতে ছোট ঘরটি।একটি লোক সিঁড়ির দরজায় বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে।
স্যার,আমরা একটু উপরে উঠতে চাই।
নানা হবে না।এটা কেবল বন দপ্তরের কর্মীদের জন্য।বাইরের লোকের নো এলাও।
একচুয়ালি ও আমার ছাত্রী। ওর খুব ইচ্ছা ।আমিও চাচ্ছি ওখান থেকে বনভূমিটাকে দেখলে ওর খুব উপকারে আসবে।
না না হবে না।কেউ জানতে পারলে হেড স্যারের কাছে কি জবাব দেবো।
নিশি মাথা নেড়ে না সম্বোধন করল।
ওটা বন দপ্তরের কর্মীদের সুবিধার জন্য তৈরি করা হয়েছে।ওটাতে উঠে বনের চারদিকে নজরদারি করা যায়। ওখান থেকে বনটাকে খুব সুন্দর দেখায়। তুমি দেখবে ?
ইচ্ছে থাকলেও একটা ভয় সবসময় তারা করে নিশিকে। স্যারের মুখের দিকে একটু চেয়ে চোখ ফিরিয়ে নেয় এবং বিড়বিড় করে উত্তর দেয়, আমার ভয় করে।
দেখো, ভয়ের কি আছে । আমি তো সঙ্গে আছি।তোমাকে তো একা একা উঠতে হবে না।আর ছাত্র জীবন হল অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের কাল,এসময় ভয়-টয় পেলে চলে। চল চল, আমি তোমাকে আজ নতুন অনেক কিছুই দেখাব যা তোমার জিওগ্রাফির ক্ষেত্রে অনেক উপকরে আসবে বলে আমি মনে করি।
নিশি এবার আর মুখের উপর না করতে পারলো না।
দুজনে হেটে হেটে সেই ঘরের কাছে এলো।সত্যিই অনেক উঁচুতে ছোট ঘরটি।একটি লোক সিঁড়ির দরজায় বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে।
স্যার,আমরা একটু উপরে উঠতে চাই।
নানা হবে না।এটা কেবল বন দপ্তরের কর্মীদের জন্য।বাইরের লোকের নো এলাও।
একচুয়ালি ও আমার ছাত্রী। ওর খুব ইচ্ছা ।আমিও চাচ্ছি ওখান থেকে বনভূমিটাকে দেখলে ওর খুব উপকারে আসবে।
না না হবে না।কেউ জানতে পারলে হেড স্যারের কাছে কি জবাব দেবো।
নিশি বলে উঠল স্যার বাদদিন না।
না না তা হয় না কি।তুমি এখানে থাকো আমি ওনাকে বুঝিয়ে বলছি।
পাহারাদারকে হাত ধরে টেনে নিয়ে একটু দূরে গেল স্যার।
না না তা হয় না কি।তুমি এখানে থাকো আমি ওনাকে বুঝিয়ে বলছি।
পাহারাদারকে হাত ধরে টেনে নিয়ে একটু দূরে গেল স্যার।
তারের দুজনের কথপোকথন শেষ।স্যার পকেট থেকে কিছু একটা বের করে ওই বনকর্মীর হাতে দিলেন দূর থেকে ঠিক বুঝতে পারলেন না নিশি,শুধু কানে এল "এটাই রাখেন না" ।
স্যার এসেই নিশির হাত ধরে তরতর করে সিড়ি বেয়ে উঠতে লাগল।
নিশি উঠতে উঠতেই বলল,স্যার একটু আস্তে হাটেন পরে যাবো তো।
না না।পড়বে না। পড়লে তোমাকে জড়িয়ে ধরবো।মরলে দুজন একসাথেই মরব, তুমি তো আমার জান।
স্যারের এই কথাটা ছোট্ট হৃদয়টাকে মস্তবড় একটা আঘাত করলো। নিশির পা দুটো খানিকক্ষণের জন্য থেমে গেল।
তুমি আমার কথায় কিছু মনে করল নিশি।
নিশির ভিতরে হাজার প্রশ্ন গিজ গিজ করলেও মাথা নেড়ে উত্তর দিলো না।
পায়ের গতিটা আগের মত নেই।ধীর পায়ে উপরে উঠছে দুজনে।স্যার নিশির একটি হাত ধরে রেখেছেন,এটা এখন অসহ্য মনে হচ্ছে নিশির কাছে।ভরসার হাতটি এখন ভাবনার ভারে ভারাক্রান্ত।
নিশি উঠতে উঠতেই বলল,স্যার একটু আস্তে হাটেন পরে যাবো তো।
না না।পড়বে না। পড়লে তোমাকে জড়িয়ে ধরবো।মরলে দুজন একসাথেই মরব, তুমি তো আমার জান।
স্যারের এই কথাটা ছোট্ট হৃদয়টাকে মস্তবড় একটা আঘাত করলো। নিশির পা দুটো খানিকক্ষণের জন্য থেমে গেল।
তুমি আমার কথায় কিছু মনে করল নিশি।
নিশির ভিতরে হাজার প্রশ্ন গিজ গিজ করলেও মাথা নেড়ে উত্তর দিলো না।
পায়ের গতিটা আগের মত নেই।ধীর পায়ে উপরে উঠছে দুজনে।স্যার নিশির একটি হাত ধরে রেখেছেন,এটা এখন অসহ্য মনে হচ্ছে নিশির কাছে।ভরসার হাতটি এখন ভাবনার ভারে ভারাক্রান্ত।
সত্যিই অপূর্ব লাগছে।এখানে না উঠলে এমন দৃশ্য অগোচরে থেকে যেত ।
কেমন লাগছে?
খুবই ভালো লাগছে।স্যার।
আমি বলছিলাম না।ভালো লাগবে।
খুবই ভালো লাগছে।স্যার।
আমি বলছিলাম না।ভালো লাগবে।
জানো নিশি, আমি অনেক জনকে এখানে নিয়ে এসেছি । আমার একজন চেনা গেটম্যান আছে ও থাকলে কোনো অসুবিধাই হয় না।আজ নতুন একজনের ডিউটি পড়েছে বলেই গেটে একটু সমস্যা পোহাতে হল।
নিশি এদিকে এসো, ওই দূরে একটা ফাঁকা জায়গার মত দেখা যায় দেখেছো।
না,দেখিনি স্যার।স্যার নিশির হাত ধরে অত্যন্ত কাছে এসে দেখানোর চেষ্টা করল।
কই কিছুই তো দেখছি না।
স্যার এবার আরো কাছে আসলো।নিশির কাছে যেটা অত্যান্ত বিরক্তিকর মনে হল।তাই দেখার ইচ্ছে টাকে গোপনে চাপা দিয়ে,উত্তর দিলো দেখেছি।
হ্যা,ওখানে একটা রাজার রাজমহলের ধ্বংসাবশেষ আছে।দেখবে তুমি ?
নিশি এবার খুশি হয়েই বলে উঠল চলুন স্যার ।রাজবাড়ী আমি কখনো দেখিনি।
না,দেখিনি স্যার।স্যার নিশির হাত ধরে অত্যন্ত কাছে এসে দেখানোর চেষ্টা করল।
কই কিছুই তো দেখছি না।
স্যার এবার আরো কাছে আসলো।নিশির কাছে যেটা অত্যান্ত বিরক্তিকর মনে হল।তাই দেখার ইচ্ছে টাকে গোপনে চাপা দিয়ে,উত্তর দিলো দেখেছি।
হ্যা,ওখানে একটা রাজার রাজমহলের ধ্বংসাবশেষ আছে।দেখবে তুমি ?
নিশি এবার খুশি হয়েই বলে উঠল চলুন স্যার ।রাজবাড়ী আমি কখনো দেখিনি।
দাঁড়াও, যাবো তো।এতো তারা কীসের।সারাটা দিনতো আছেই।
যদিও দিনের অনেকটা সময় কেটে গেছে কিন্তু শীতের কুয়াশা ভেদ করে সূর্য সবেমাত্র বের হল।নিশি সূর্য্যের দিকে মুখ করে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে দূরের দৃশ্য দেখতে দেখতেই হালকা স্বরে বলে উঠলো অপূর্ব সুন্দর।
----"তুমিও।"
পেছন থেকে আসা কন্ঠস্বরে চমকে উঠল নিশি।মুখ ফিরিয়ে দেখে স্যার কাছ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে।
স্যার আপনি।
হ্যা,কেন মিথ্যে বলেছি?
স্যার, নিশি কে দুহাতের মাঝখানে বন্ধি রেখে রেলিং ধরলেন।
যদিও দিনের অনেকটা সময় কেটে গেছে কিন্তু শীতের কুয়াশা ভেদ করে সূর্য সবেমাত্র বের হল।নিশি সূর্য্যের দিকে মুখ করে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে দূরের দৃশ্য দেখতে দেখতেই হালকা স্বরে বলে উঠলো অপূর্ব সুন্দর।
----"তুমিও।"
পেছন থেকে আসা কন্ঠস্বরে চমকে উঠল নিশি।মুখ ফিরিয়ে দেখে স্যার কাছ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে।
স্যার আপনি।
হ্যা,কেন মিথ্যে বলেছি?
স্যার, নিশি কে দুহাতের মাঝখানে বন্ধি রেখে রেলিং ধরলেন।
দুজনেই এখন মুখোমুখি।নিশি ভয়ে কাঁপছে।
ভয় পেওনা নিশি, আমি তোমাকে সত্যিই ভালোবাসি।আসলে এতদিন বলা হয়নি।
স্যার বলে যাচ্ছে ।নিশি শুধু চোখের জল ছেড়ে দিয়ে কাঁদছে ।কোনও উত্তর দিচ্ছে না।
অনেক কিছু বলার পর একটাই প্রশ্ন রাখলেন স্যার।তুমি কি বল নিশি।
চোখের জল মুছে নিশি উত্তর দিল,বাড়ি যাব।
এখনি তো যেতে দিচ্ছি না।অনেকদিন পর তোমাকে একলা পেলাম।আসলে তোমার বাড়িতে অনেক লোকজন।সবসময় সবকিছুর পরিবেশ পাওয়া যায় না।আর তারা সবাই আমাকে খুব বিশ্বাস করে।তাই এখানে আসা।
ভয় পেওনা নিশি, আমি তোমাকে সত্যিই ভালোবাসি।আসলে এতদিন বলা হয়নি।
স্যার বলে যাচ্ছে ।নিশি শুধু চোখের জল ছেড়ে দিয়ে কাঁদছে ।কোনও উত্তর দিচ্ছে না।
অনেক কিছু বলার পর একটাই প্রশ্ন রাখলেন স্যার।তুমি কি বল নিশি।
চোখের জল মুছে নিশি উত্তর দিল,বাড়ি যাব।
এখনি তো যেতে দিচ্ছি না।অনেকদিন পর তোমাকে একলা পেলাম।আসলে তোমার বাড়িতে অনেক লোকজন।সবসময় সবকিছুর পরিবেশ পাওয়া যায় না।আর তারা সবাই আমাকে খুব বিশ্বাস করে।তাই এখানে আসা।
জলের ঝাপটায় যখন ঘুম ভাঙল নিশির ,দেখলো খোলা আকাশের সূর্যটা আবারও কুয়াশায় ঢেকে গেছে। তরবর করে উঠতে যাচ্ছে নিশি কিন্তু পারলো না। শরীরটা অত্যান্ত ক্লান্ত। অজানা ব্যথাগুলো তাকে যেন কুড়ে খাচ্ছে।
পাশ থেকে একটি কন্ঠস্বর , তুমি জেগে উঠেছ নিশি।
পাশ থেকে একটি কন্ঠস্বর , তুমি জেগে উঠেছ নিশি।
কোনো উত্তর নেই নিশির।খোলা আকাশের দিখে তাকিয়ে কেবল দেখল একটি ব্যর্থ ঝাড়ুদার পাখি পৃথিবী পরিক্রমা করছে।

No comments